Site icon দৈনিক বঙ্গচিত্র

নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা কলি’ তে সম্মত এনসিপি

||বিএন আহাম্মেদ ||নতুন নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের জন্য আবারও আবেদন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এবার দলটি শাপলা, সাদা শাপলা এবং শাপলা কলির মধ্যে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। রোববার এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন ভবনে গিয়ে আবেদন জমা দেয়।

পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দলটি নতুন করে প্রতীক চেয়েছে এবং নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করতে বিএনপি ও জামায়াতকে সতর্ক করেন। তার দাবি, বিএনপির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং জামায়াতের ধর্মীয় উগ্রতার সঙ্গে এনসিপি কোনো সম্পর্ক রাখতে চায় না। তবে এই দুই দল অবস্থান পরিবর্তন করলে জোটে যাওয়ার বিষয়টি ভাবতে পারে এনসিপি।

নাসীরুদ্দীন আরও জানান, আগামী নির্বাচনে তিনশ’ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তাদের দল। তার ভাষায়, ‘ধানের শীষ আর শাপলা কলিতে হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।’

সরকারের উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিভিন্ন দলের সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক রাখলে তা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। সেজন্য সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনকে তিনি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং কমিশন’ আখ্যায় দিয়ে বলেন, কমিশনের আচরণে জনগণ অসন্তুষ্ট।

এর আগে এনসিপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল হক মুসা।

গত জুনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার সময় এনসিপি শাপলার পাশাপাশি কলম ও মোবাইল ফোন প্রতীক চেয়েছিল। পরে তারা শাপলাকেই প্রধান হিসেবে দাবি করে। তবে রাজনৈতিক দলের প্রতীক তালিকায় শাপলা না থাকায় নির্বাচন কমিশন বারবার তাদের আবেদন নাকচ করে। প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েন চলতে থাকে কয়েক মাস। গত ৩০ অক্টোবর প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে অবশেষে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করে ইসি, যা এনসিপির জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

Exit mobile version