আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী গ্রহণের সর্বোচ্চ সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে মাত্র ৭ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সবার আগে সুযোগ পাবেন দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা।
বৃহস্পতিবার মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত প্রেসিডেনশিয়াল নথিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বিপদে পড়া লাখো মানুষের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী ব্যবস্থা মূলত বন্ধই থাকবে। তবে নির্ধারিত অল্প সংখ্যক জায়গার বেশির ভাগই বরাদ্দ করা হবে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের জন্য।
নথিতে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ ১৪২০৪ অনুযায়ী শরণার্থী হিসেবে প্রবেশের সুযোগ মূলত আফ্রিকানার জনগোষ্ঠীর শ্বেতাঙ্গদের জন্য সীমিত থাকবে। তাদের দেশে বেআইনি বৈষম্যের শিকার অন্য গোষ্ঠীর মানুষদেরও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
ট্রাম্প দাবি করে আসছেন যে দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতনের মুখে রয়েছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার ও আফ্রিকান ইউনিয়নের কর্মকর্তা এসব দাবি বহুবার অস্বীকার করেছেন।
শরণার্থীদের সেবা দেওয়ার দায়িত্বে থাকা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুদান ও কার্যক্রম এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা দপ্তরের শরণার্থী পুনর্বাসন কার্যালয়ের অধীনে যাবে।
এ সিদ্ধান্ত বাইডেন প্রশাসনের নির্ধারিত ১ লাখ ২৫ হাজার শরণার্থীর তুলনায় প্রায় ৯৪ শতাংশ কম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় এই নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

