অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে প্রত্যাবর্তনেই বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন প্যাট কামিন্স। তার প্রভাব পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে। বোলারদের তালিকায় বড় উন্নতি করেছেন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক। পাশাপাশি ব্যাটারদের তালিকায় চমক দেখিয়েছেন ট্রাভিস হেড ও অ্যালেক্স ক্যারি।
ইনজুরির কারণে অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টে খেলতে না পারলেও সিডনি টেস্টে ফিরেই কামিন্স প্রমাণ করেছেন কেন তিনি বিশ্বসেরা। চার ধাপ এগিয়ে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি। তবে শীর্ষস্থানটি এখনো ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ’র দখলে। এদিকে কামিন্স এগোলেও এক ধাপ পিছিয়ে তিনে নেমে গেছেন মিচেল স্টার্ক।
ব্যাট হাতে অ্যাডিলেড টেস্টে দারুণ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে চার ধাপ এগিয়েছেন ট্রাভিস হেড। তিনি এখন স্টিভ স্মিথের সঙ্গে যৌথভাবে চার নম্বরে অবস্থান করছেন। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ইংল্যান্ডের জো রুট এবং দুইয়ে কেন উইলিয়ামসন।
তবে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। সিডনি টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ৬ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সেরা দশে (৯ম স্থানে) ঢুকে পড়েছেন তিনি।
মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরি হাঁকানো কিউই ব্যাটার ডেভন কনওয়ে ১৭ ধাপ এগিয়ে ১৭ নম্বরে উঠে এসেছেন। সেঞ্চুরিয়ান টম ল্যাথাম এগিয়েছেন ৭ ধাপ। বোলারদের মধ্যে ১০ ধাপ এগিয়ে ৩৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন জেকব ডাফি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভাম হজ ও ব্র্যান্ডন কিংও র্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি করেছেন।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দ্যুতি ছড়িয়ে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন মিচেল স্টার্ক। দুই ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে (যৌথভাবে ৩য়) পৌঁছেছেন তিনি। বর্তমানে বেন স্টোকসের সঙ্গে যৌথভাবে তিনে রয়েছেন এই অজি পেসার। অন্যদিকে ২৩ ধাপ এগিয়ে বোলারদের তালিকায় ৫৪ নম্বরে উঠে এসেছেন ইংলিশ গতিদানব জফরা আর্চার।

