
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাসিম জানান, সাপ্তাহিক সাক্ষাতের জন্য আদালতের আদেশ থাকলেও, পরিবারের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা যাচাইযোগ্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “কারও বাবা নিরাপদ আছেন কিনা বা আহত হয়েছেন, এমনকি বেঁচে আছেন কিনা তা না জানতে পারা এক ধরনের মানসিক চাপ ও নির্যাতন।”
কাসিম আরও জানান, কয়েক মাস ধরে পরিবারের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে কোনো নিশ্চিত যোগাযোগ হয়নি। তারা সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা করছেন যে, তাদের কাছ থেকে ইমরানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। এছাড়া পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তাকে দেখার অনুমতি চাওয়া হলেও এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তা অনুমোদিত হয়নি।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেনি। তবে একটি অননামধন্য কারা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, খানের অবস্থা সুস্থ আছে, তবে তাকে উচ্চ-নিরাপত্তা কেন্দ্রে স্থানান্তরের কোনো পরিকল্পনা তাদের জানা নেই।
৭২ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। ২০২২ সালের সংসদীয় ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাকে একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ইমরান বারবার এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) বলেছে, এসব মামলা তাকে জনজীবন এবং নির্বাচনী ক্ষেত্রে অবরুদ্ধ করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে।