
ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, ইরানে চলমান তীব্র অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভের চাপে পড়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তেহরান যেকোনো সময় ইসরাইলে হামলা চালাতে পারে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘আয়রন স্ট্রাইক’ নামে একটি নতুন আক্রমণ পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। যদিও ইসরাইল সরকার ইরানে চলমান অস্থিরতা নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি, তবে মোসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে ‘হামলার জন্য প্রস্তুত’ (Locked and Loaded)। এর আগে ট্রাম্প আরও সতর্ক করেছিলেন যে, ইরান যদি তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি জোরদার করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বিমান হামলায় সহায়তা দিতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে তীব্র মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রার দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা বর্তমানে শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।