
ফরিদ জানান, আড়াই কড়া (৭ শতক) জমিতে তরমুজের বীজতলা করেছিলেন তিনি। চারাগুলো ভালোভাবে বেড়ে উঠছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষেতে গিয়ে দেখেন—রাতে অজ্ঞাত কেউ ক্ষতিকর স্প্রে ছিটিয়ে সব চারাগাছ নষ্ট করে দিয়েছে। মুহূর্তেই চারা শুকিয়ে পড়ে।
জমি লিজ নেওয়া এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে নেওয়া ১ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে চাষ শুরু করেছিলেন ফরিদ। চারা নষ্ট হওয়ায় তিনি এখন মারাত্মক ক্ষতির মুখে। ফরিদের প্রশ্ন—‘ঋণ শোধ করবো কীভাবে?’
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই নাশকতা হতে পারে। তারা ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি করেছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।