
তিনি বলেন, আগের সময়গুলোতে গণমাধ্যম নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে ‘ফ্যাসিবাদকে রক্ষা’ করেছে। তার মতে, রাষ্ট্রের কাঠামো কেমন হবে সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কারকে মন থেকে গ্রহণ না করলে কোনো পরিবর্তন কার্যকর হয় না।
ফখরুল আরও জানান, ভবিষ্যতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে গণমাধ্যমের উন্নয়নে ইতিবাচক পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
সভায় জামায়াত বাংলাদেশের পক্ষে সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানায়। অন্যদিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, গণমাধ্যম কার্যালয়ের ভেতরে থাকা রাজনৈতিক প্রভাব দূর করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় লক্ষ্য ছিল গণমাধ্যমে সংস্কার আনা। চার মাস আলোচনা শেষে কমিশনের যে সুপারিশ এসেছে, তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ মতামত দিচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় চীন মৈত্রী কেন্দ্রের এই মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক নেতারা পূর্বের পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশনের সমালোচনা করেন।