
স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তীব্রতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে খবর পেয়ে কোনাবাড়ী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। এরপর সারাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট যোগ দেয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
বাড়ির মালিক রুমেল পাঠান বলেন, ১০০টি ঘরের একটিতেও কোনো জিনিসপত্র রক্ষা করা যায়নি—সবই পুড়ে গেছে।
শাহ আলম নামের এক পোশাকশ্রমিক জানান, অফিস থেকে ফিরে এসে দেখেন তাঁর সবকিছু আগুনে শেষ হয়ে গেছে—গায়ে থাকা কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
ভাড়াটিয়া রহিমা বেগম বলেন, কয়েকদিন আগে পাওয়া বেতনের সব টাকা ঘরে ছিল; আগুনে সব হারিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব।
স্থানীয় পলাশ মোল্লা জানান, রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোকে আগুন নেভাতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতি এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।