
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর থেকে করদাতারা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই আয়কর রিটার্ন পূরণ ও দাখিল করতে পারছেন। এনবিআর বলছে, এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন—যা উৎসাহজনক একটি অগ্রগতি।
তবে যেসব করদাতার জন্য এ বাধ্যবাধকতা নেই, তারাও ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারেন। কেউ প্রযুক্তিগত সমস্যায় ই-রিটার্ন দাখিল করতে না পারলে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে আবেদন করলে, অনুমোদন সাপেক্ষে কাগজে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
বিদেশে অবস্থানরত করদাতারাও অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে রিটার্ন দিতে পারেন। এজন্য তাদের পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা পাঠাতে হয় ereturn@etaxnbr.gov.bd এ। পরে তাদের ই-মেইলে ওটিপি ও রেজিস্ট্রেশন লিংক পাঠানো হয়।
কোনো কাগজপত্র আপলোড ছাড়াই করদাতারা অনলাইনে আয়, ব্যয় ও সম্পদের তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন। রিটার্ন দাখিলের পরই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও কর সনদ প্রিন্ট করতে পারছেন। এতে দেশে-বিদেশে করদাতাদের মধ্যে ই-রিটার্নের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
করদাতাদের সুবিধার্থে এনবিআর অনলাইন রিটার্ন দাখিলের বিষয়ে করদাতা ও তাদের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এছাড়া ই-রিটার্ন সংক্রান্ত সহায়তার জন্য ০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১ নম্বরে কল সেন্টার চালু রাখা হয়েছে।
এছাড়া www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের eTax Service বিভাগে সমস্যা জানালে দ্রুত সমাধান দেওয়া হচ্ছে। সারাদেশের কর অফিসে ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকেও সরাসরি বা টেলিফোনে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে।
সব করদাতাকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।