
গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ভারি বৃষ্টিপাতে অস্থায়ী আশ্রয়ে বসবাসকারীরা পানি প্রবেশ ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে আশ্রয় নিচ্ছেন। তবে সেখানে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে এবং এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা কর্মীরা অন্তত ১৩টি ধসে যাওয়া ভবনে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, “বৃষ্টি হলেই ঘরের ফাঁকফোকর দিয়ে পানি ও ছোট পাথর ঢুকতে থাকে। ভবন ধসে পড়ার ভয় সবসময় রয়েছে, কিন্তু এখানে থাকা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত ও জনবহুল এলাকায় বসবাসের কারণে ফুসফুস জনিত রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হেপাটাইটিস এবং ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিরাপদ বাসস্থান, পর্যাপ্ত খাবার ও পানীয় পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরবরাহে ঘাটতি এই স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করছে।
ডব্লিউএইচও সতর্ক করেছে, ত্রাণ পৌঁছানোয় এখনও বাধা রয়েছে। সংস্থাটি দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ শুরু করে মহামারি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।