
চিঠিতে সিসিটিভি নজরদারি জোরদার করা, বাড়তি টহল চালানো এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জনবল নিশ্চিত করার মতো কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
সব বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সারাক্ষণ নজরদারি করতে হবে। গাড়ি ও পথচারীদের ওপর নজরদারি বাড়াতে ভেহিকল পেট্রোল ও ফুট পেট্রোল ঘনঘন চালাতে হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
নির্দেশনায় থাকা প্রধান বিষয়গুলো হলো:
বিমানবন্দরে শুধু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী ও অনুমোদিত যাত্রী ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতি সর্বোচ্চ রাখতে হবে এবং নিয়মিত ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক রাখা হবে।
প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলোতে র্যান্ডম তল্লাশি চালাতে হবে। যাত্রী, হাতব্যাগ, মালামাল ও যানবাহনের নিরাপত্তা তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে।
স্পর্শকাতর জায়গা ও সীমান্তঘেরা এলাকায় নিয়মিত টহল দিতে হবে।
সিসিটিভি মনিটরিং সেল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রেখে সন্দেহজনক কিছু দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্ক্যানার, মেটাল ডিটেক্টর, সিসিটিভি—এসব নিরাপত্তা যন্ত্র প্রতিদিন পরীক্ষা করে সচল রাখতে হবে।
সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নীতিমালা ঠিকভাবে মানতে হবে।
এ ছাড়া অগ্নিসুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য গ্যাস লাইন, বিদ্যুৎ লাইনসহ ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলো পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা সবসময় প্রস্তুত রাখতে হবে।
কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।