
বায়ুদূষণের প্রভাব আকাশপথে স্পষ্ট। দিল্লি বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, অন্তত ১০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং ৩০০টির বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। যাত্রীদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
শুধু বিমানসেবা নয়, রেল চলাচলও বিপর্যস্ত। স্পষ্টভাবে দেখতে না পারার কারণে দিল্লি যাওয়া ও বের হওয়ার ৯০টির বেশি ট্রেন ছয় থেকে সাত ঘণ্টা দেরিতে চলছে।
দূষণ নিয়ন্ত্রণে বায়ুমান ব্যবস্থাপনা কমিশন (EPCA) শনিবার থেকে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যানের সর্বোচ্চ স্তর, স্টেজ ফোর, জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া, দিল্লি এনসিআরে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি দফতরের কর্মীদের অর্ধেককে বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও হাইব্রিড পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ও মামলার পক্ষগুলিকে ভার্চুয়ালি অংশ নিতে অনুরোধ করেছে।
এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সতর্কতাও জারি হয়েছে। যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুর তাদের নাগরিকদের ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক করেছে। সিঙ্গাপুর হাইকমিশন নাগরিকদের ফ্লাইট স্ট্যাটাস নজরে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গর্ভবতী নারী এবং হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।