
ইসরাইলের এই হামলার জেরে গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটে এবং উত্তেজনা চরমে ওঠে। আন্তর্জাতিকভাবে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। হামলার পর ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি কাতারকে আশ্বস্ত করেন যে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হবে না।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নিউইয়র্কে ট্রাম্প ও শেখ মোহাম্মদ আল-থানির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় আলোচিত নৈশভোজ। কাতারের উপমিশন প্রধান হামাহ আল-মুফতাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ জানান, “প্রেসিডেন্টের সঙ্গে চমৎকার নৈশভোজ শেষ হলো।”হোয়াইট হাউস থেকে নৈশভোজের বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী আল-থানি বৈঠক করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে ইসরাইলের হামলার পর কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা এবং দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।ট্রাম্প আগে থেকেই ইসরাইলের ওই হামলাকে ‘একতরফা পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন কাতারকে উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। দীর্ঘদিন ধরেই গাজায় যুদ্ধবিরতি, ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন পরিকল্পনায় কাতার মধ্যস্থতাকারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।গত সপ্তাহে এক বক্তব্যে আল-থানি ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, শান্তি প্রচেষ্টায় ইসরাইল বাধা দিচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, কাতার তার মধ্যস্থতাকারী ভূমিকায় অটল থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স
/এআই