জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, দল থেকে কেউ পদত্যাগ করলে সেটি তার একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির অধিকাংশ নেতা-কর্মী এখনো দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আছেন। যারা পদত্যাগ করেছেন বা করার কথা ভাবছেন, তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতে আলোচনা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে এবং সমঝোতা অনুযায়ী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। যেখানে এনসিপির প্রার্থী থাকবে না, সেখানে জোটের অন্য প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালানো হবে। এছাড়া সারা দেশে গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে প্রচার চালাবে দলটি।
আগে এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত থাকলেও শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানান নাহিদ। তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তি নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। এই অবস্থায় জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের রক্ষায় বৃহত্তর ঐক্যের বিকল্প নেই। দেশ গঠনে বিএনপিকেও এই ঐক্যের অংশ হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই নেত্রী ডা. তাসনিম জারা ও তাজনূভা জাবীনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, রাজনৈতিক দলে পদত্যাগ ও যোগদান একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দলে ভিন্নমত থাকাকে তারা স্বাগত জানান এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক যেকোনো সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করেন। এতে দলের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে তিনি দাবি করেন।

