
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম সতর্ক করে বলেন, আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী যেন ফায়দা নিতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।
বৈঠকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এনইআইআর সিস্টেম পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এটি কার্যকর হলে ২৫ লাখ ব্যবসায়ী বেকার হয়ে পড়বে। তারা অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এবং হয়রানি করা হলে আন্দোলন আরও বেগবান হবে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন এদিন আটক ১১ জনসহ পূর্বে আটক ৪৬ জন ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবি জানান। জবাবে ডিসি মাসুদ বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আটকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে সকাল থেকে এনইআইআর চালুর প্রতিবাদ ও আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তির দাবিতে কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করেন ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়লে পুলিশ টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। এই সংঘর্ষে আন্দোলনকারী, পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা আহত হন।
এদিকে, বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন শেষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সরকার এনইআইআর সিস্টেম বন্ধ করবে না এবং বিটিআরসি ভবনে হামলাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।