
দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী ড. আহমদ জাহিদ হামিদি জানান, দেশের সব নিরাপত্তা ও জরুরি সংস্থা পূর্ণ প্রস্তুতিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৩টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য ফেডারেল, রাজ্য ও জেলা পর্যায়ের সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেলাতান রাজ্য বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ফাদলিনা সিদেক জানান, মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বন্যা-প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ জোরদার করেছে। চারটি স্কুল পরিদর্শন করে তিনি শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে স্থানান্তরের ব্যবস্থা দেখেছেন।
তিনি আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ, সিভিল ডিফেন্সসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় প্রস্তুতিমূলক অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সমস্যায় থাকা শিক্ষার্থীদের দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।