
জানা গেছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর কথিত নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাতে এবং সংহতি প্রকাশ করতে বিজেপিপন্থি ব্রিটিশ ভারতীয় হিন্দু গোষ্ঠীগুলো দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়। একই সময়ে সেখানে ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর কর্মীরা উপস্থিত হয়ে ভারতবিরোধী স্লোগান দেন এবং খালিস্তানের পতাকা প্রদর্শন করেন।
একপর্যায়ে ‘খালিস্তান রেফারেন্ডাম’ প্রচারণার সমন্বয়ক পরমজিৎ সিং পাম্মা ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মেট্রোপলিটন পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এবং উভয় পক্ষকে আলাদা করে দেয়। পরে শিখ কর্মীরা দূতাবাসের চারপাশে অবস্থান নিয়ে সুরক্ষামূলক বেষ্টনী তৈরি করেন।
বিক্ষোভকালে শিখ অধিকারকর্মীরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার জন্য মোদি সরকারকে দায়ী করে স্লোগান দেন। তারা দাবি করেন, ভারত নিজের দেশে সংখ্যালঘু শিখ, মুসলিম ও খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে এখন বাংলাদেশের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় চাপাচ্ছে।
পরমজিৎ সিং পাম্মা সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভারত তাকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিলেও ব্রিটিশ আদালত বা কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গ্রহণ করেনি। তিনি অভিযোগ করেন, ভারত বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো সম্প্রতি দিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাসেও হামলা চালিয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বারবার বলেছে যে, যেকোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে প্রচার করা ভিত্তিহীন।