
১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের আমদানি কুরিয়ার এলাকায় কয়েকটি সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বস্তাভর্তি মালামালের নতুন করে তালিকা তৈরি হতে দেখা যায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর জানা যায়, সেই বস্তায় ব্যারেট্টা মডেলের পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্রের ভাঙা অংশ ছিল—যেগুলো ঘটনার সময় নিখোঁজ হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, এসব অস্ত্র কি পুরো সময় ভল্টেই ছিল, নাকি বাইরে নেওয়ার পর আবার ভল্টে রেখে দেওয়া হয়েছে?
ঘটনায় ফিরে দেখা যায়, ২৯ অক্টোবর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে জানায় যে ভল্টের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এরপর ১০ নভেম্বর সময় সংবাদের প্রতিবেদনেও জানানো হয়, ভল্টে গানম্যাক্স কোম্পানির আমদানি করা একাধিক অস্ত্র ছিল। তবে তখন কোনো সংস্থা বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার তথ্য দেয়নি।
অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. ফসাল কবির জানিয়েছেন—এখন পাওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে তার আমদানিকৃত অস্ত্রও রয়েছে। তার দাবি, তাকে বলা হয়েছিল ১৬টি পিস্তল পাওয়া গেছে, কিন্তু এখনো ২০ হাজার বুলেট ফেরত মেলেনি।
এদিকে, ১৮ অক্টোবর বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা দেখা যায়। দিনের বেলায় নিরাপত্তা টহল থাকলেও রাত হলে কুরিয়ার এলাকাজুড়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ দেখা যায়—সন্দেহজনক লোকজনের চলাফেরা, অর্থ লেনদেনসহ নানা ঘটনা প্রশ্ন তৈরি করছে। যেখানটিতে স্ট্রং ভল্ট ছিল, তার কাছাকাছি দেয়ালের বড় অংশ ভাঙা এবং অনেক জায়গায় নেই সুরক্ষার জন্য থাকা কাটাতারের বেড়া।