
ফ্লাইটের অভ্যন্তরীণ সব যাত্রীকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তল্লাশি করে চার নারী—সামিয়া সুলতানা, শামিমা আক্তার, জয়নব বেগম ও নুসরাতের কাছ থেকে এসব ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের শরীরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ছিল ৩৫টি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স, ৫৫টি আইফোন ১৫ এবং ১২টি গুগল পিক্সেল ফোন।
ফোনগুলোর বিষয়ে পরিষ্কার তথ্য দিতে না পারায় কাস্টমস ৯৮টি মোবাইল জব্দ করে। এসব ফোনের বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
বিমানবন্দর দিয়ে নিয়মিতই স্বর্ণ, মোবাইল ও সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা হয়। বিশেষ করে দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা ফ্লাইটগুলোতে এ ধরনের ঘটনা বেশি দেখা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে চোরাকারবারিরা নতুন কৌশল নিয়েছে—চট্টগ্রাম হয়ে আসা ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে তাদের সহযোগীরা ওঠে এবং বিমানের ভেতরেই পণ্য হাতবদল করে থাকে।