
ছাত্রশিবিরের অভিযোগ, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে সুবজ (২৫) নামে এক যুবককে ৮৬৪ ও ৮৬৫ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। এর আগে ২৯ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শহিদুল ইসলাম নামে এক বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়। পরদিন রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ইব্রাহিম রিংকু ও মমিন মিয়াকে নির্যাতন করে হত্যা করে পদ্মায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত এক দশকে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, গুলিবর্ষণ ও নির্যাতনে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, এ সময় কমপক্ষে ৩০৫ জন বাংলাদেশি নিহত এবং ২৮২ জন আহত হয়েছেন। শুধু চলতি বছরের ১১ মাসেই বিএসএফের হাতে কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের মতে, বিনা বিচারে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন এবং দুই দেশের সম্পর্কের জন্য বড় বাধা। তারা ভারতকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত–নীতিমালা মেনে চলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারকে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানো, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়া এবং সীমান্ত এলাকায় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেন।