আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নয় দফা লিখিত প্রস্তাবনা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে বৈঠকে দলটি এ প্রস্তাবনা তুলে ধরে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, উচ্চতর পরিষদ সদস্য শাকিল উজ্জামান, অ্যাডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, সহ-প্রচার সম্পাদক আশরাফুল রায়হান এবং ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন ইউসুফ।
বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদ নয়টি প্রস্তাব পেশ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, নির্বাচনি দায়িত্বে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের না রাখা, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং ভোট গণনা জনসমক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
এছাড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভোট কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স পরিবহনের সময় প্রার্থীদের এজেন্টদের সঙ্গে রাখতে হবে, সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং কেন্দ্র দখল বা জাল ভোটের অভিযোগ পেলে ভোটগ্রহণ স্থগিত করতে হবে।
দলটি আরও প্রস্তাব করে, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের এবার নির্বাচনি দায়িত্ব না দেওয়া, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টাকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়া এবং তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনকে নতুনভাবে সাজানোর আহ্বান জানানো হয়।
গণঅধিকার পরিষদ আশা প্রকাশ করেছে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে আসন্ন নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হবে।