||বিএন আহাম্মেদ || হামাস নেতা খলিল আল-হায়া বলেছেন, গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব কোনো জাতীয় ফিলিস্তিনি সংস্থার হাতে তুলে দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তিনি আরও জানান, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গাজা ও পশ্চিম তীরে নির্বাচন আয়োজন করতে চায় হামাস।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি রবিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে সম্প্রচার হবে।
খলিল আল-হায়া বলেন, হামাসের অস্ত্র ইসরাইলি দখলদারিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদি দখলদারিত্বের অবসান ঘটে এবং ইসরাইলি সেনারা পুরোপুরি গাজা ছাড়ে, তবে এসব অস্ত্র রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তিনি আরও বলেন, গাজার জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী কোনো জাতীয় সংস্থাকে প্রশাসনিক দায়িত্ব দিতে হামাস রাজি। পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে নির্বাচন আয়োজনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
হায়া জানান, হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী একমত হয়েছে যে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুনর্গঠন জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা থাকা উচিত বলেও তিনি মত দেন।
ত্রাণ সরবরাহে ইসরাইলের বাধার সমালোচনা করে খলিল আল-হায়া বলেন, গাজার জন্য যে পরিমাণ ত্রাণ আসছে, তা পর্যাপ্ত নয়। প্রতিদিন অন্তত ছয় হাজার ট্রাক ত্রাণ প্রয়োজন, অথচ আসছে মাত্র কয়েকশ’। তিনি মধ্যস্থতাকারীদের ইসরাইলের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান।
এ ছাড়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরাইলি জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন হায়া। তিনি বলেন, গাজার বিভিন্ন স্থানে জিম্মিদের দেহাবশেষ খুঁজে বের করার কাজ চলছে এবং ইসরাইলকে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার অজুহাত দেওয়া হবে না।

