
মামলার সাক্ষীরা আদালতকে জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে জাল কাগজপত্র তৈরি করে প্লট বরাদ্দ করা হয়েছিল। দুদকের আইনজীবীদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধের প্রমাণ শক্তিশালী, ফলে তাদের আজীবন কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাক্ষ্য অনুযায়ী জানা যায়, শেখ রেহানা নিজের পরিবারের জন্যও প্লট চেয়েছিলেন এবং পরে সেই চাপের ফলে রাজউককে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। মিথ্যা হলফনামা দিয়ে রেহানা সরকারি জমির মালিক হন— এমন অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
১৭ আসামির বিরুদ্ধে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ নির্দেশনা ও ভুয়া কাগজপত্রের প্রমাণও আদালতে জমা দেয় দুদক। মঙ্গলবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকা চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত আগামী ১ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার দিন ঠিক করে।
সাক্ষ্যে আরও আসে, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের নামে প্লট পাওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ দেন। যদিও তিনি নিজের জন্য কোনো প্লট নেননি, তবুও এই ভূমিকার কারণে তিনি মূল আসামিদের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। রায় ঘোষণায় তারও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছে দুদক।
মামলার একমাত্র গ্রেফতার আসামি রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী বলেন, সরকারি কর্মচারী হিসেবে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য ছিলেন।