
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগের ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তদন্ত শেষ হয়েছে। স্বাধীন তদন্ত কমিটির করা ৯০০ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি বিসিবির হাতে এসেছে।
প্রতিবেদনটিতে ফিক্সিংসহ অন্যান্য দুর্নীতির দিক বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের পরিচালনাগত ত্রুটি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে তদন্ত কমিটি।
বিসিবির সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা অ্যালেক্স মার্শালের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্তের তথ্য বিশ্লেষণ করে অপরাধ অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ করবেন।
শাখাওয়াত বলেন, “অ্যালেক্স মার্শাল প্রতিবেদন দেখে চার্জ ফ্রেম করবেন এবং আমাদের সাজেশন দেবেন। সেই চার্জের ভিত্তিতেই ঠিক হবে কে খেলবে আর কে নয়। আমরা চাই ড্রাফটের আগেই বিষয়টি স্পষ্ট হোক, এজন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে শুধু ক্রিকেটারই নন, কিছু সাংবাদিক ও ম্যানেজমেন্টের সদস্যও জড়িত ছিলেন। “ড্রাফটের আগে যদি তাদের নাম আমরা পাই, তাহলে ড্রাফটে তাদের রাখা হবে না,” যোগ করেন তিনি।
আগামী বছরের শুরুতেই মাঠে গড়াবে বিপিএল। শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আজকের সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ১৫ নভেম্বরের পরই প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই আমরা সব দিক পর্যালোচনা করে লিগের স্বার্থে সেরা সিদ্ধান্ত নেব।”
বিএন আহাম্মেদ 











