Dhaka ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কাঁটাতারের সীমা পেরিয়ে মৃত মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দিল বিজিবি।

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৭ Time View

ছবি : সংগৃহীত

ভারত-বাংলাদেশের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে পচি খাতুনের শেষ ইচ্ছা পূরণের এই ঘটনা। ভারতের নদিয়া জেলার চাপড়া থানার অন্তর্গত হৃদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা পচি খাতুন (৬৫), যিনি জামাত শেখের স্ত্রী ছিলেন, মৃত্যুর আগে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যে, মৃত্যুর পর যেন বাংলাদেশে থাকা তার নানাবাড়ির আত্মীয়রা তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

তার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বিএসএফ-এর কাছে জানায় এবং সহযোগিতা চায়। বিএসএফ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আন্তরিক সহযোগিতায় এই মানবিক ইচ্ছাটি বাস্তবায়িত হয়।

ছবি : সংগৃহীত

শনিবার সকালে বিএসএফ-এর সহায়তায় পচি খাতুনের মরদেহ ভারতের হৃদয়পুর থেকে মুজিবনগর সীমান্তের ১২৫ নম্বর মেইন পিলারের কাছে আনা হয়। সেখানে বিজিবির মুজিবনগর কোম্পানি কমান্ডার আবুল বাশার এবং বিএসএফ-এর চাপড়া কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমারের নেতৃত্বে দুই বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহটি সীমান্তে আনার অনুমতি প্রদান করা হয়।

পরে মরদেহটি মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর নতুনপাড়ায় নেওয়া হয়, যেখানে তার আত্মীয়-স্বজনরা তাকে শেষবারের মতো দেখতে সমবেত হন। প্রায় ২৫ মিনিট সেখানে রাখা হয় মরদেহটি। আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় বহু মানুষ তাকে শেষবারের মতো দেখে বিদায় জানান। পরে মরদেহটি দাফনের জন্য আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

কাঁটাতারের সীমা পেরিয়ে মৃত মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দিল বিজিবি।

Update Time : ০২:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত-বাংলাদেশের আন্তরিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে পচি খাতুনের শেষ ইচ্ছা পূরণের এই ঘটনা। ভারতের নদিয়া জেলার চাপড়া থানার অন্তর্গত হৃদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা পচি খাতুন (৬৫), যিনি জামাত শেখের স্ত্রী ছিলেন, মৃত্যুর আগে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যে, মৃত্যুর পর যেন বাংলাদেশে থাকা তার নানাবাড়ির আত্মীয়রা তাকে শেষবারের মতো দেখতে পারেন।

তার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বিএসএফ-এর কাছে জানায় এবং সহযোগিতা চায়। বিএসএফ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আন্তরিক সহযোগিতায় এই মানবিক ইচ্ছাটি বাস্তবায়িত হয়।

ছবি : সংগৃহীত

শনিবার সকালে বিএসএফ-এর সহায়তায় পচি খাতুনের মরদেহ ভারতের হৃদয়পুর থেকে মুজিবনগর সীমান্তের ১২৫ নম্বর মেইন পিলারের কাছে আনা হয়। সেখানে বিজিবির মুজিবনগর কোম্পানি কমান্ডার আবুল বাশার এবং বিএসএফ-এর চাপড়া কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমারের নেতৃত্বে দুই বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহটি সীমান্তে আনার অনুমতি প্রদান করা হয়।

পরে মরদেহটি মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর নতুনপাড়ায় নেওয়া হয়, যেখানে তার আত্মীয়-স্বজনরা তাকে শেষবারের মতো দেখতে সমবেত হন। প্রায় ২৫ মিনিট সেখানে রাখা হয় মরদেহটি। আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় বহু মানুষ তাকে শেষবারের মতো দেখে বিদায় জানান। পরে মরদেহটি দাফনের জন্য আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।