
চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে পতনের মধ্যে লেনদেন হয়েছে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে ১৬ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা বা ২.৪৫ শতাংশ। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর সব সূচকও কমেছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৬৫.২৫ পয়েন্ট বা ৫.৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক ৮৯.৩৬ পয়েন্ট বা ৪.৬০ শতাংশ, আর ডিএসইএস সূচক ৬২.২৬ পয়েন্ট বা ৫.৯৯ শতাংশ কমেছে।
লেনদেনের দিক থেকেও পতন দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৭১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৩ লাখ টাকার তুলনায় ৬৫০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা কম। প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেনও কমে ৩৫৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা হয়েছে।
ডিএসইতে ৩৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭টির, কমেছে ৩৬৩টির এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) পতন হয়েছে। প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৩.৯৯ শতাংশ কমে ১৩,৪০১.২০ পয়েন্টে এবং সিএসসিএক্স ৩.৪৪ শতাংশ কমে ৮,৩১৮.৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া সিএসআই সূচক কমেছে ৩.৫১ শতাংশ, সিএসই-৫০ ২.২৬ শতাংশ ও সিএসই-৩০ ১.৯১ শতাংশ কমে যথাক্রমে ১,০৪৬.২১ ও ১২,১৭৫.৭১ পয়েন্টে।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৯৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার তুলনায় ১৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা কম। এখানে ২৭২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে ২৯টির দাম বেড়েছে, ২৩৬টির কমেছে এবং ৭টির অপরিবর্তিত আছে।
বিএন আহাম্মেদ 











