
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করতে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তার মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে তারুণ্যের রাজনীতির সম্ভাবনা নষ্ট হতে চলেছে এবং এনসিপি কার্যত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আব্দুল কাদের জানান, আগামীকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। তিনি দাবি করেন, এনসিপি শুরুতে ৫০টি আসন চাইলেও শেষ পর্যন্ত ৩০টি আসনে সমঝোতা হয়েছে। জোটের শর্ত অনুযায়ী, বাকি ২৭০টি আসনে এনসিপি কোনো প্রার্থী দেবে না এবং জামায়াতকে সমর্থন করবে।
আব্দুল কাদেরের দাবি অনুযায়ী, জামায়াতের পক্ষ থেকে জোটসঙ্গী হিসেবে এনসিপিকে প্রতি আসনে দেড় কোটি টাকা নির্বাচনী খরচ দেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সমঝোতা হওয়া ৩০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও জামায়াতের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে।
সাবেক এই সমন্বয়ক তার পোস্টে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমান উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের এক ধাপ এগিয়ে সমঝোতা হয়েছে। কাদেরের ভাষ্যমতে, “নির্বাচনে জিতলে নাহিদ ইসলাম হবেন প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধী দলে গেলে তিনি হবেন বিরোধীদলীয় নেতা।”
নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিলের জন্য এমন ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন আব্দুল কাদের। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অসংখ্য তরুণ নিজেদের ক্যারিয়ার ও পরিবার ছেড়ে দেশের হাল ধরার যে স্বপ্ন দেখেছিল, এই সমঝোতার মাধ্যমে সেই স্বপ্নকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
Reporter Name 











