
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত গণঅভ্যর্থনার স্থান হিসেবে রাজধানীর ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই আয়োজনের কৌশলগত ও মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন।
মাহদি আমিন জানান, তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় জনদুর্ভোগ এড়াতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মতো রাজধানীর কেন্দ্রীয় স্থানগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শহরের প্রধান কেন্দ্র থেকে দূরে এবং প্রশস্ত হওয়ায় ৩০০ ফিট সড়কের একপাশের সার্ভিস লেনকে এই সংক্ষিপ্ত গণঅভ্যর্থনার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
আয়োজন ঘিরে সাধারণ মানুষের অসুবিধা লাঘবে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে:
* মেডিকেল ক্যাম্প: ঢাকাজুড়ে ২০টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স থাকবে।
* ফিল্ড হাসপাতাল: সভাস্থলের কাছে ৬ শয্যার অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল ও আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স থাকবে।
* অন্যান্য সুবিধা: বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ, পর্যাপ্ত মোবাইল টয়লেট এবং কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন।
বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রী এবং অ্যাম্বুলেন্সের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর ও কাকলী মোড়ে ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন করা হবে। জরুরি প্রয়োজনে এসব ডেস্ক থেকে মোটরবাইক এসকর্টের মাধ্যমে যানবাহন পার করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া রাজধানীতে প্রবেশের প্রধান পয়েন্টগুলোতে আলাদা বাস পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অনিচ্ছাকৃত যেকোনো সমস্যার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছেন মাহদি আমিন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমানের সাথে একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
Reporter Name 











