Dhaka ০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

হাসিনা–রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। এই মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন। অভিযোগ ছিল— শেখ রেহানাকে বেআইনিভাবে ১০ কাঠা জমি দেওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এই অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার সাক্ষীরা আদালতকে জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে জাল কাগজপত্র তৈরি করে প্লট বরাদ্দ করা হয়েছিল। দুদকের আইনজীবীদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধের প্রমাণ শক্তিশালী, ফলে তাদের আজীবন কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাক্ষ্য অনুযায়ী জানা যায়, শেখ রেহানা নিজের পরিবারের জন্যও প্লট চেয়েছিলেন এবং পরে সেই চাপের ফলে রাজউককে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। মিথ্যা হলফনামা দিয়ে রেহানা সরকারি জমির মালিক হন— এমন অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

১৭ আসামির বিরুদ্ধে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ নির্দেশনা ও ভুয়া কাগজপত্রের প্রমাণও আদালতে জমা দেয় দুদক। মঙ্গলবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকা চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত আগামী ১ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার দিন ঠিক করে।

সাক্ষ্যে আরও আসে, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের নামে প্লট পাওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ দেন। যদিও তিনি নিজের জন্য কোনো প্লট নেননি, তবুও এই ভূমিকার কারণে তিনি মূল আসামিদের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। রায় ঘোষণায় তারও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছে দুদক।

মামলার একমাত্র গ্রেফতার আসামি রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী বলেন, সরকারি কর্মচারী হিসেবে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য ছিলেন।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

হাসিনা–রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

Update Time : ০২:৩০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নিয়ে করা দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। এই মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন। অভিযোগ ছিল— শেখ রেহানাকে বেআইনিভাবে ১০ কাঠা জমি দেওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এই অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার সাক্ষীরা আদালতকে জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে জাল কাগজপত্র তৈরি করে প্লট বরাদ্দ করা হয়েছিল। দুদকের আইনজীবীদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধের প্রমাণ শক্তিশালী, ফলে তাদের আজীবন কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাক্ষ্য অনুযায়ী জানা যায়, শেখ রেহানা নিজের পরিবারের জন্যও প্লট চেয়েছিলেন এবং পরে সেই চাপের ফলে রাজউককে নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। মিথ্যা হলফনামা দিয়ে রেহানা সরকারি জমির মালিক হন— এমন অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

১৭ আসামির বিরুদ্ধে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ নির্দেশনা ও ভুয়া কাগজপত্রের প্রমাণও আদালতে জমা দেয় দুদক। মঙ্গলবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকা চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত আগামী ১ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার দিন ঠিক করে।

সাক্ষ্যে আরও আসে, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের নামে প্লট পাওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ দেন। যদিও তিনি নিজের জন্য কোনো প্লট নেননি, তবুও এই ভূমিকার কারণে তিনি মূল আসামিদের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। রায় ঘোষণায় তারও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছে দুদক।

মামলার একমাত্র গ্রেফতার আসামি রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী বলেন, সরকারি কর্মচারী হিসেবে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য ছিলেন।