
||বিএন আহাম্মেদ || বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আদানির সঙ্গে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ আইনের অধীনে হওয়া চুক্তিতে যদি দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সেই চুক্তি বাতিল করা সম্ভব।
তিনি জানান, শুধু চাইলে কোনো চুক্তি বাতিল করা যায় না; এজন্য চুক্তিতে বাতিলের নিয়ম ছিল কি না তা ভালোভাবে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত চুক্তিগুলো পর্যালোচনার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটির ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা জানান, সবার সহযোগিতা পেলে বিষয়গুলো দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করা হবে। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া কঠিন কারণ আগের প্রকল্পগুলোর সঙ্গে যুক্ত অনেকে এখন আর কাজ করছেন না।
তিনি আরও বলেন, আগের সরকার যে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ আইন ব্যবহার করত, সেটিকে কালো আইন মনে করে ২০২৪ সাল থেকেই আর না-ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ আইনের আওতায় থাকা প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পরীক্ষা করতে গত বছরের সেপ্টেম্বরে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়, যারা আজ তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
জাতীয় কমিটির প্রধান, সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ আইনের মাধ্যমে আগের সরকার বড় ধরনের দুর্নীতি করেছে। ভারতের আদানি সহ বিভিন্ন দেশের যেসব কোম্পানির সঙ্গে এসব চুক্তি হয়েছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।
বিএন আহাম্মেদ 










