
নির্বাচনে আসন বণ্টন এবং জোটে নতুন দল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে তৈরি হওয়া টানাপোড়েন নিরসনের পথে। ১১ দলীয় জোটের বৃহত্তর স্বার্থে দুই দলই এখন একে অপরকে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। দল দুটির শীর্ষ নেতারা আশা করছেন, দ্রুতই ৩০০ আসনে জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।
সম্প্রতি আসন ভাগাভাগি ও একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে জোটের ভেতরে সংশয় দেখা দিয়েছিল। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জামায়াতের প্রতি কিছু অভিযোগ তোলা হলে রাজনৈতিক মহলে জোটের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে সব ভেদাভেদ ভুলে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দলগুলো।
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম এ বিষয়ে বলেন, “জনগণ ও রাজনৈতিক দল—সবাই ঐক্য চায়। যেহেতু জনআকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তাই ইনশাআল্লাহ জোট ভাঙবে না। দ্রুতই বিদ্যমান সমস্যার সমাধান হবে।” তিনি আরও জানান, অতীতের তিক্ততা ভুলে ভবিষ্যতে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে যা ঐক্যে ফাটল ধরায়।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে জয়ী হওয়া। তাই প্রার্থীর সংখ্যার চেয়ে যোগ্য ও বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন প্রার্থীকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সবাই ছাড় দিয়ে হলেও ঐক্য ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর এবং কেউ ‘বড় ভাই’ সুলভ আচরণ করছে না।”
দল দুটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে ১১ দলীয় জোট আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে চমকপ্রদ ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হবে। খুব শিগগিরই জোটের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।
Reporter Name 











