Dhaka ০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

গোয়েন্দা পুলিশের ঘটনায় উত্তেজনা: সারা দেশে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধের ঘোষণা

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) জানিয়েছে, তারা সারা দেশের ছোট ও মাঝারি মোবাইল ফোন বিক্রির দোকানগুলো বন্ধ রাখবে। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সুমাশটেকের প্রধান নির্বাহী আবু সাঈদ পিয়াসকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমবিসিবি জানায়, তাদের সংগঠনের সেক্রেটারি পিয়াসকে বুধবারের মধ্যেই মুক্তি না দিলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামবে। এমনকি দেশ অচল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার গভীর রাতে আবু সাঈদ পিয়াসকে ডিবি পুলিশ নিয়ে গেছে।

এদিকে, সরকার জানিয়েছে যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করা হবে। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত করে নিবন্ধন করা হবে। এতে অবৈধ, চুরি হওয়া বা অননুমোদিত ফোন ব্যবহার বন্ধ হবে।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ছোট ও মাঝারি মোবাইল ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, কোনো পরামর্শ ছাড়াই এই নিয়ম চালু করলে প্রায় ২৫ হাজার দোকান ও ২০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে পড়বে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে অবিক্রিত ফোন বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, নতুন আমদানি নিয়মগুলো তাদের জন্য কঠিন ও ব্যয়সাপেক্ষ হবে। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দেশের ডিজিটাল খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং সরকারের কোষাগারে বড় অঙ্কের অর্থ যোগ করছেন। তবুও বিটিআরসির একতরফা নীতিমালার কারণে তারা এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

এমবিসিবি আরও সতর্ক করে বলে, এনইআইআর চালু হলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফোন রেজিস্ট্রেশন ও নথিপত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ গ্রাহক ও প্রবাসীরা ভোগান্তিতে পড়বেন। এমনকি বাজারে কয়েকটি গোষ্ঠীর একচেটিয়া দখল তৈরি হয়ে স্মার্টফোনের দামও বাড়তে পারে, যা ডিজিটাল অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

গোয়েন্দা পুলিশের ঘটনায় উত্তেজনা: সারা দেশে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধের ঘোষণা

Update Time : ০৫:২২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) জানিয়েছে, তারা সারা দেশের ছোট ও মাঝারি মোবাইল ফোন বিক্রির দোকানগুলো বন্ধ রাখবে। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সুমাশটেকের প্রধান নির্বাহী আবু সাঈদ পিয়াসকে গোয়েন্দা পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমবিসিবি জানায়, তাদের সংগঠনের সেক্রেটারি পিয়াসকে বুধবারের মধ্যেই মুক্তি না দিলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামবে। এমনকি দেশ অচল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার গভীর রাতে আবু সাঈদ পিয়াসকে ডিবি পুলিশ নিয়ে গেছে।

এদিকে, সরকার জানিয়েছে যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করা হবে। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত করে নিবন্ধন করা হবে। এতে অবৈধ, চুরি হওয়া বা অননুমোদিত ফোন ব্যবহার বন্ধ হবে।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ছোট ও মাঝারি মোবাইল ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, কোনো পরামর্শ ছাড়াই এই নিয়ম চালু করলে প্রায় ২৫ হাজার দোকান ও ২০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে পড়বে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে অবিক্রিত ফোন বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এতে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, নতুন আমদানি নিয়মগুলো তাদের জন্য কঠিন ও ব্যয়সাপেক্ষ হবে। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দেশের ডিজিটাল খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং সরকারের কোষাগারে বড় অঙ্কের অর্থ যোগ করছেন। তবুও বিটিআরসির একতরফা নীতিমালার কারণে তারা এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

এমবিসিবি আরও সতর্ক করে বলে, এনইআইআর চালু হলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফোন রেজিস্ট্রেশন ও নথিপত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ গ্রাহক ও প্রবাসীরা ভোগান্তিতে পড়বেন। এমনকি বাজারে কয়েকটি গোষ্ঠীর একচেটিয়া দখল তৈরি হয়ে স্মার্টফোনের দামও বাড়তে পারে, যা ডিজিটাল অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।