
||বিএন আহাম্মেদ || বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, বছর শেষের আগেই শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণের বাস্তব অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
গত ছয় মাসে পাঁচ ব্যাংকের মার্জার প্রক্রিয়ায় সরকার দ্রুত কাজ করেছে—অর্থ বরাদ্দ, কেবিনেটের অনুমোদন এবং প্রশাসক নিয়োগ—সবই নিয়মিতভাবে হয়েছে। তবে নতুন এই একীভূত ব্যাংক কতটা টেকসই হবে এবং এর আইনি ভিত্তি কতটা শক্ত—তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্ন উঠেছে, এমনকি আদালতেও বিষয়টি উঠেছে।
আরিফ হোসেন খান জানান, আমানতকারীদের স্বার্থকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে একীভূত ব্যাংকের প্রস্তুতি চলছে। বছরের শেষে দেশের সবচেয়ে বড় নতুন ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক রূপ দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন ব্যাংকের নাম ঘোষণা ও বরাদ্দ অর্থ জমা হওয়ার পর নিয়োগ পাওয়া পাঁচ প্রশাসক একীভূত ব্যাংকের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
পাঁচ ব্যাংককে আলাদা আলাদাভাবে সহায়তা দিয়ে বাঁচানো যেত কি না—এ প্রশ্নে মুখপাত্র জানান, অতীতে তারল্য সংকট ও মূলধন ঘাটতি সামাল দিতে অনেকবার সহায়তা করা হলেও ব্যাংকগুলো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাই আর্থিক খাতের স্বার্থে মার্জারই ছিল একমাত্র কার্যকর পথ।
তিনি আরও বলেন, নতুন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কারা দেখবেন—তা সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
বিএন আহাম্মেদ 















