Dhaka ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

হাদি হত্যার আসামিদের মেঘালয়ে প্রবেশের দাবি নাকচ করল ভারত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৪ Time View

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজনদের ভারতে প্রবেশের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছে মেঘালয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল করিম ওরফে দাউদ খান মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন এবং তার দুই সহযোগীকে সেখানাকার পুলিশ আটক করেছে। ডিএমপির ভাষ্যমতে, আসামিরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে মেঘালয়ের তুরা নামক স্থানে অবস্থান করছে।

তবে মেঘালয় পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পুলিশের সাথে এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ হয়নি। গারো পাহাড় এলাকায় উল্লিখিত কোনো আসামিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করার কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

মেঘালয়ের বিএসএফ ইন্সপেক্টর জেনারেল ওপি উপাধ্যায়ও একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি জানান, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার কোনো তথ্য বা প্রমাণ বিএসএফের কাছে নেই। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় ছাড়াই বাংলাদেশ পুলিশ এমন দাবি করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গুলিবিদ্ধ হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ওসমান হাদি। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ডিএমপির দাবি অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই আসামিরা ঢাকা ত্যাগ করে এবং বিভিন্ন হাতবদল হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে। তবে ভারতীয় পক্ষ এই বর্ণনাকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

হাদি হত্যার আসামিদের মেঘালয়ে প্রবেশের দাবি নাকচ করল ভারত

Update Time : ১১:০৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজনদের ভারতে প্রবেশের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছে মেঘালয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল করিম ওরফে দাউদ খান মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন এবং তার দুই সহযোগীকে সেখানাকার পুলিশ আটক করেছে। ডিএমপির ভাষ্যমতে, আসামিরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে মেঘালয়ের তুরা নামক স্থানে অবস্থান করছে।

তবে মেঘালয় পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পুলিশের সাথে এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ হয়নি। গারো পাহাড় এলাকায় উল্লিখিত কোনো আসামিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করার কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

মেঘালয়ের বিএসএফ ইন্সপেক্টর জেনারেল ওপি উপাধ্যায়ও একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি জানান, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করার কোনো তথ্য বা প্রমাণ বিএসএফের কাছে নেই। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় ছাড়াই বাংলাদেশ পুলিশ এমন দাবি করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গুলিবিদ্ধ হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ওসমান হাদি। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। ডিএমপির দাবি অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই আসামিরা ঢাকা ত্যাগ করে এবং বিভিন্ন হাতবদল হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে। তবে ভারতীয় পক্ষ এই বর্ণনাকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে।