Dhaka ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কোটি টাকার ফোয়ারাগুলো এখন ময়লার গাদা

সিলেট শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফোয়ারাগুলো এখন অযত্ন ও অবহেলায় ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সরজমিনে দেখা গেছে, শহরের ছয়টি ফোয়ারার চারপাশে আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, মোটর ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে, এবং কিছু ফোয়ারা পুরোপুরি অচল।

২০০৬ সালে হুমায়ূন রশীদ চত্বর, কুমারপাড়া, শাহী ঈদগাহ, নাইওরপুল, বন্দরবাজার ও ক্বিনব্রিজে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এই ফোয়ারাগুলো স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এগুলোকে ফোয়ারা বলা যায় না; বরং ময়লার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফোয়ারার চারপাশের গার্ড ওয়াল ও স্টিলের রেলিং চুরি হয়ে যাওয়ায় সেগুলো আড্ডা এবং আবর্জনা ফেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ ফোয়ারাগুলো নির্মাণ করলেও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার সিংহ বলেন, সিটি করপোরেশন ফোয়ারাগুলো হস্তান্তর করলে তারা জনস্বার্থে ও নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে প্রস্তুত। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার জানান, নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কর্তৃপক্ষ ভাবছে।

এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুদীপ্ত রায় বলেন, চত্বর ও ফোয়ারা অপসারণের জন্য সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

নাগরিকরা বলছেন, ১৯ বছর ধরে অবহেলিত এই ফোয়ারাগুলো সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং অবহেলার প্রতীক হিসেবে রয়ে গেছে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

কোটি টাকার ফোয়ারাগুলো এখন ময়লার গাদা

Update Time : ০৭:৪২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

সিলেট শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফোয়ারাগুলো এখন অযত্ন ও অবহেলায় ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সরজমিনে দেখা গেছে, শহরের ছয়টি ফোয়ারার চারপাশে আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, মোটর ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে, এবং কিছু ফোয়ারা পুরোপুরি অচল।

২০০৬ সালে হুমায়ূন রশীদ চত্বর, কুমারপাড়া, শাহী ঈদগাহ, নাইওরপুল, বন্দরবাজার ও ক্বিনব্রিজে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে এই ফোয়ারাগুলো স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এগুলোকে ফোয়ারা বলা যায় না; বরং ময়লার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফোয়ারার চারপাশের গার্ড ওয়াল ও স্টিলের রেলিং চুরি হয়ে যাওয়ায় সেগুলো আড্ডা এবং আবর্জনা ফেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ ফোয়ারাগুলো নির্মাণ করলেও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার সিংহ বলেন, সিটি করপোরেশন ফোয়ারাগুলো হস্তান্তর করলে তারা জনস্বার্থে ও নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে প্রস্তুত। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার জানান, নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কর্তৃপক্ষ ভাবছে।

এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুদীপ্ত রায় বলেন, চত্বর ও ফোয়ারা অপসারণের জন্য সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

নাগরিকরা বলছেন, ১৯ বছর ধরে অবহেলিত এই ফোয়ারাগুলো সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং অবহেলার প্রতীক হিসেবে রয়ে গেছে।