Dhaka ১২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বিচারকদের বেতন ও সুবিধা পুনর্বিবেচনায় হাইকোর্টের রুল

সোমবার (২৪ নভেম্বর) হাইকোর্ট সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে কেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের বেতন, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পুনর্বিবেচনা করা হবে না।

বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজি ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রুল জারি করেছেন। রুলে আদালত দুইটি আইনের—“বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২১” এবং “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২৩”—কোনও অসাংবিধানিকতা আছে কিনা সেটির ব্যাখ্যা চাইছে।

রিটে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের বেতন খুবই কম। প্রধান বিচারপতি মাসিক ১.১০ লাখ টাকা, আপিল বিভাগের বিচারক ১.৫ লাখ টাকা এবং হাইকোর্টের বিচারক ৯৫ হাজার টাকা বেতন পান। এতে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

রিটটি সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী ও চারজন শিক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির দায়ের করেছেন। রিটে দাবি করা হয়েছে যে, বর্তমান বেতন কাঠামো বিচারিক স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অন্য দেশগুলোর বিচারকদের তুলনায় বাংলাদেশের বিচারকরা অনেক পিছিয়ে আছেন।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

বিচারকদের বেতন ও সুবিধা পুনর্বিবেচনায় হাইকোর্টের রুল

Update Time : ০৮:৪৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

সোমবার (২৪ নভেম্বর) হাইকোর্ট সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে কেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের বেতন, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পুনর্বিবেচনা করা হবে না।

বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজি ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রুল জারি করেছেন। রুলে আদালত দুইটি আইনের—“বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২১” এবং “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২৩”—কোনও অসাংবিধানিকতা আছে কিনা সেটির ব্যাখ্যা চাইছে।

রিটে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের বেতন খুবই কম। প্রধান বিচারপতি মাসিক ১.১০ লাখ টাকা, আপিল বিভাগের বিচারক ১.৫ লাখ টাকা এবং হাইকোর্টের বিচারক ৯৫ হাজার টাকা বেতন পান। এতে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

রিটটি সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী ও চারজন শিক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির দায়ের করেছেন। রিটে দাবি করা হয়েছে যে, বর্তমান বেতন কাঠামো বিচারিক স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অন্য দেশগুলোর বিচারকদের তুলনায় বাংলাদেশের বিচারকরা অনেক পিছিয়ে আছেন।