
||রাবি প্রতিনিধি || ছাত্রদলেরর কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, “ডাকসু এবং জাকসুতে ভিপি, জিএস এবং এজিএস পদে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা আওয়ামী লীগের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবস্থান করেছে এবং তৎকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে মিলেমিশে রাজনীতি করেছেন।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপলক্ষে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আলোচনা সভায় এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, জুলাই আগস্টে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে আমাদের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে কিন্তু অনিয়মে ভরা ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রদল হয়তো প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি। বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে নির্বাচনগুলো হলেও আমরা মনে করি ছাত্রদলের আরও ভালো ফলাফল করা উচিৎ ছিলো।
ডাকসু এবং জাকসুতে ভিপি, জিএস এবং এজিএস–পদে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা আওয়ামী লীগের সময় হলে অবস্থান করেছে এবং তৎকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে মিলেমিশে তারা রাজনীতি করেছেন। কিন্তু তার বিপরীতে শুধু ছাত্রদল না অন্যান্য ছাত্র সংগঠন থেকে যারা নির্বাচন করেছেন তারা কেউ সেসময়ে হলে অবস্থান করতে পারেনি শুধুমাত্র ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে নির্বাচন করার কারণে। আমরা বার বার বলার পরও ডাকসু নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারেনি।
এসময় তিনি আরও বলেন, দুইটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরে আমি ভাবছিলাম যে, বাংলাদেশে যতগুলো ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে এবং সেখানে যারা ভিপি, জিএস নির্বাচিত হবে তাদের পিছে ছাত্রলীগের পদ পদবী থাকতে হবে এরকম একটা কন্ডিশন চলে আসছে। হয়তো চারটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আমরা পরাজিত হয়েছি এই পরাজয়ের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমদ রাহীর সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এবং সঞ্চালক হিসেবে রাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সরদার জহুরুল ইসলাম। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি আব্দুল আলিম, জিয়া পরিষদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব।
মো. বিপ্লব উদ্দীন
বিএন আহাম্মেদ 














