Dhaka ১২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

সিরিয়ায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

সিরিয়ার উপকূলীয় শহর হোমস, জাবলেহ ও লাতাকিয়ায় সরকারবিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গুলির ঘটনা ঘটলেও কেউ আহত হয়নি—এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

১৩ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের পর গত বছরের ডিসেম্বরে আলাউয়ি মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা ও প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বিদ্রোহীদের হাতে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান। এরপর সাবেক আল-কায়েদা নেতা আহমেদ আল-শারার (মোহাম্মদ আল জোলানি) নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে।

তবে নতুন সরকার আসার পরও সহিংসতা থামেনি। জীবনযাত্রার অবনতি ও সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে আলাউয়ি অধ্যুষিত এসব এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, লাতাকিয়া ও জাবলেহর বিভিন্ন স্থানে মানুষ বড় আকারে সমাবেশ করছে। আসাদ পতনের পর এটিই আলাউয়ি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় আন্দোলন বলে মনে করা হচ্ছে।

এসওএইচআরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার লাতাকিয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে। তারা প্রধান সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলার চেষ্টা করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালানো হয় এবং কিছু এলাকায় বাড়িঘর ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।

লাতাকিয়ার আল-জুমহুরিয়া এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময়ে তিশরিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকাতেও বিস্ফোরণ ঘটে। জাবলেহর বেন্ট আল-শাওয়িশ এলাকাতেও গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা শোনা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

সরকারি হামলা ও গুলি চলমান থাকলেও বিক্ষোভ থামেনি। বুধবারও প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে হামা প্রদেশের গ্রামীণ এলাকাতেও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

সিরিয়ায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি

Update Time : ০৬:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

সিরিয়ার উপকূলীয় শহর হোমস, জাবলেহ ও লাতাকিয়ায় সরকারবিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গুলির ঘটনা ঘটলেও কেউ আহত হয়নি—এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।

১৩ বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের পর গত বছরের ডিসেম্বরে আলাউয়ি মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা ও প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বিদ্রোহীদের হাতে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান। এরপর সাবেক আল-কায়েদা নেতা আহমেদ আল-শারার (মোহাম্মদ আল জোলানি) নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে।

তবে নতুন সরকার আসার পরও সহিংসতা থামেনি। জীবনযাত্রার অবনতি ও সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে আলাউয়ি অধ্যুষিত এসব এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, লাতাকিয়া ও জাবলেহর বিভিন্ন স্থানে মানুষ বড় আকারে সমাবেশ করছে। আসাদ পতনের পর এটিই আলাউয়ি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় আন্দোলন বলে মনে করা হচ্ছে।

এসওএইচআরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার লাতাকিয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে। তারা প্রধান সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলার চেষ্টা করে। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালানো হয় এবং কিছু এলাকায় বাড়িঘর ও ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।

লাতাকিয়ার আল-জুমহুরিয়া এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময়ে তিশরিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকাতেও বিস্ফোরণ ঘটে। জাবলেহর বেন্ট আল-শাওয়িশ এলাকাতেও গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা শোনা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

সরকারি হামলা ও গুলি চলমান থাকলেও বিক্ষোভ থামেনি। বুধবারও প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে হামা প্রদেশের গ্রামীণ এলাকাতেও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।