Dhaka ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

রাজবাড়ী জেলা আ.লীগ সম্পাদকের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮১ Time View

রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী ও তার পরিবারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের সব ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজবাড়ীর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিজন কুমার বোস।

আদালত ও দুদক সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর দুদক মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাজী ইরাদত আলী এবং তার ঘনিষ্ঠদের নামে থাকা সন্দেহজনক সম্পদ জব্দের আবেদন করে। আবেদনকারী দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উল্লেখ করেন, ইরাদত আলী নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধভাবে ৬৫ কোটি টাকার বেশি সম্পদ সংগ্রহ করেছেন।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে—

৫২ কোটির বেশি মূল্যের জমি, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও প্রতিষ্ঠানে ৯ কোটির বেশি টাকা,১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, এবং ২ কোটির বেশি মূল্যমানের ৭টি গাড়ি।

দুদক জানায়, তদন্ত শুরু হওয়ার পর এসব সম্পদ হস্তান্তর বা নগদায়নের চেষ্টা করা হচ্ছিল, তাই আদালতকে এগুলো আটকানোর আবেদন জানানো হয়।

পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবও জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কাজী ইরাদত আলী, তার স্ত্রী, ছেলে, ছেলের স্ত্রী, মেয়ে ও জামাতার নামে মোট ৪৬টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থিতি রয়েছে। এছাড়া তাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবেও কয়েক কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

দুদকের পিপি বিজন কুমার বোস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত করে এই সম্পদ জব্দের আবেদন করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে কাজী ইরাদত আলীর মতামত জানতে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় হামলা ও গুলি বর্ষণের মামলাও রয়েছে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

রাজবাড়ী জেলা আ.লীগ সম্পাদকের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ

Update Time : ০৯:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী ও তার পরিবারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের সব ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজবাড়ীর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিজন কুমার বোস।

আদালত ও দুদক সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর দুদক মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাজী ইরাদত আলী এবং তার ঘনিষ্ঠদের নামে থাকা সন্দেহজনক সম্পদ জব্দের আবেদন করে। আবেদনকারী দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উল্লেখ করেন, ইরাদত আলী নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধভাবে ৬৫ কোটি টাকার বেশি সম্পদ সংগ্রহ করেছেন।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে—

৫২ কোটির বেশি মূল্যের জমি, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও প্রতিষ্ঠানে ৯ কোটির বেশি টাকা,১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, এবং ২ কোটির বেশি মূল্যমানের ৭টি গাড়ি।

দুদক জানায়, তদন্ত শুরু হওয়ার পর এসব সম্পদ হস্তান্তর বা নগদায়নের চেষ্টা করা হচ্ছিল, তাই আদালতকে এগুলো আটকানোর আবেদন জানানো হয়।

পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবও জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কাজী ইরাদত আলী, তার স্ত্রী, ছেলে, ছেলের স্ত্রী, মেয়ে ও জামাতার নামে মোট ৪৬টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থিতি রয়েছে। এছাড়া তাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবেও কয়েক কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

দুদকের পিপি বিজন কুমার বোস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত করে এই সম্পদ জব্দের আবেদন করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে কাজী ইরাদত আলীর মতামত জানতে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় হামলা ও গুলি বর্ষণের মামলাও রয়েছে।