
জুলাইয়ের বিজয় মিছিলে ঢাকায় গুলিতে নিহত সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার গোলামীপুর গ্রামের সোহাগ মিয়ার মরদেহ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তোলা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে ভীমখালী ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মূশফিকীন নূরের তত্ত্বাবধানে উত্তোলন কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা রহিছ উদ্দিন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তালুকদার, ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া, শহীদের বাবা আবুল কালাম ও ভাই শুভ মিয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ৬ আগস্ট ময়নাতদন্ত ছাড়া সোহাগকে তার গ্রামে দাফন করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এবার মরদেহ উত্তোলনের পর সুরতহাল তৈরি এবং ময়নাতদন্ত করা হবে।
ছেলের হত্যার বিচার দাবি করে সোহাগের বাবা আবুল কালাম বলেন, “তদন্তের সুবিধার জন্য আদালত লাশ তোলার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বলেন, “জুলাই আন্দোলনের সময় সোহাগকে ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে তার মরদেহ তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা পরিবারকে সহযোগিতা করতে এখানে এসেছি।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী সরকারের পতনের খবরে বের হওয়া বিজয় মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান সোহাগ মিয়া। পরদিন তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।
বিএন আহাম্মেদ 














