Dhaka ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো হবিগঞ্জ-৫ কূপের অতিরিক্ত ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৯ Time View

হবিগঞ্জ-৫ নম্বর কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শেষ হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। ফলে কূপটি থেকে এখন মোট ২৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান নতুন এই সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানির এমডি প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ইসমাইল মোল্লা এবং বাপেক্স–গ্যাসফিল্ড কোম্পানির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, ১৯৮৮ সালে খনন করা হবিগঞ্জ-৫ কূপে আগে প্রতিদিন ১৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হতো। চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদনও কমে যায়। পরে তিতাস, হবিগঞ্জ ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপে ওয়ার্কওভার করার জন্য ৫২০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ-৫ কূপে ২৪ নভেম্বর থেকে ওয়ার্কওভার কাজ শুরু হয় এবং ২৭ নভেম্বর শেষ হয়।

এখন হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ১১টি কূপের মধ্যে সাতটি চালু রয়েছে, যেগুলো থেকে প্রতিদিন মোট ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জানান, ত্রি-মাত্রিক ভূতাত্ত্বিক জরিপের মাধ্যমে নতুন গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে বের করে নিয়মিত খনন কাজ চলছে। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ৫০টি কূপ খনন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার একটি হলো হবিগঞ্জ-৫। এখন পর্যন্ত ২১টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৯টির কাজ চলমান। চলতি মাসের মধ্যেই আরও চারটি কূপের কাজ শেষ হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে আরও ১০০টি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে পুরোনো কূপগুলো ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হবে, যা দেশের শিল্প-কারখানার গ্যাস সরবরাহ উন্নত করবে।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো হবিগঞ্জ-৫ কূপের অতিরিক্ত ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

Update Time : ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

হবিগঞ্জ-৫ নম্বর কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শেষ হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। ফলে কূপটি থেকে এখন মোট ২৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান নতুন এই সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানির এমডি প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ইসমাইল মোল্লা এবং বাপেক্স–গ্যাসফিল্ড কোম্পানির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, ১৯৮৮ সালে খনন করা হবিগঞ্জ-৫ কূপে আগে প্রতিদিন ১৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হতো। চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদনও কমে যায়। পরে তিতাস, হবিগঞ্জ ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের সাতটি কূপে ওয়ার্কওভার করার জন্য ৫২০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ-৫ কূপে ২৪ নভেম্বর থেকে ওয়ার্কওভার কাজ শুরু হয় এবং ২৭ নভেম্বর শেষ হয়।

এখন হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রের ১১টি কূপের মধ্যে সাতটি চালু রয়েছে, যেগুলো থেকে প্রতিদিন মোট ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জানান, ত্রি-মাত্রিক ভূতাত্ত্বিক জরিপের মাধ্যমে নতুন গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে বের করে নিয়মিত খনন কাজ চলছে। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ৫০টি কূপ খনন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার একটি হলো হবিগঞ্জ-৫। এখন পর্যন্ত ২১টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৯টির কাজ চলমান। চলতি মাসের মধ্যেই আরও চারটি কূপের কাজ শেষ হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে আরও ১০০টি নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে পুরোনো কূপগুলো ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হবে, যা দেশের শিল্প-কারখানার গ্যাস সরবরাহ উন্নত করবে।