Dhaka ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

জাতীয় নির্বাচন সামনে: ব্যালট পেপারের কাগজ প্রস্তুতে ব্যস্ত কর্ণফুলী পেপার মিলস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপার জন্য কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) মোট ৯১৪ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে। এর মধ্যে ১৭৮ মেট্রিক টন কাগজ ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে এ তথ্য সময় সংবাদকে জানান কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী সবুজ, গোলাপী, এজুরলেইড ও বাদামী সালফেট—এই চার ধরনের কাগজ তৈরি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাগজ সরবরাহ শেষ করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

কেপিএম সূত্র জানায়, নির্বাচনী কাগজের মোট বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি ১১ লাখ টাকা। ধাপে ধাপে বাকি কাগজ সরবরাহ করে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাগজ উৎপাদনের জন্য বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পাল্পও আমদানি করা হয়েছে।

উৎপাদন ও আর্থিক অবস্থা

২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিলটির কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ৩৮ থেকে ৪৪ কোটি টাকার মতো। চলতি বছরের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদন হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৮৯৪ মেট্রিক টনের চাহিদা এসেছে, যার মূল্য প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন কাগজ বিক্রি হয়েছে।

কেপিএমের অতীত ও বর্তমান

১৯৫৩ সালে চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলী পেপার মিল একসময় এশিয়ার অন্যতম বড় কাগজ উৎপাদনকারীদের মধ্যে ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তির পুরনো অবস্থা, কাঁচামালের সংকট ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে উৎপাদন কমে যায়। এখন পুরোনো যন্ত্রপাতি মেরামত ও সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন আবার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

জাতীয় নির্বাচন সামনে: ব্যালট পেপারের কাগজ প্রস্তুতে ব্যস্ত কর্ণফুলী পেপার মিলস

Update Time : ১২:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপার জন্য কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) মোট ৯১৪ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে। এর মধ্যে ১৭৮ মেট্রিক টন কাগজ ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে এ তথ্য সময় সংবাদকে জানান কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ।

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী সবুজ, গোলাপী, এজুরলেইড ও বাদামী সালফেট—এই চার ধরনের কাগজ তৈরি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাগজ সরবরাহ শেষ করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

কেপিএম সূত্র জানায়, নির্বাচনী কাগজের মোট বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি ১১ লাখ টাকা। ধাপে ধাপে বাকি কাগজ সরবরাহ করে আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাগজ উৎপাদনের জন্য বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পাল্পও আমদানি করা হয়েছে।

উৎপাদন ও আর্থিক অবস্থা

২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিলটির কাগজ উৎপাদনের লক্ষ্য ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ৩৮ থেকে ৪৪ কোটি টাকার মতো। চলতি বছরের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদন হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৮৯৪ মেট্রিক টনের চাহিদা এসেছে, যার মূল্য প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন কাগজ বিক্রি হয়েছে।

কেপিএমের অতীত ও বর্তমান

১৯৫৩ সালে চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলী পেপার মিল একসময় এশিয়ার অন্যতম বড় কাগজ উৎপাদনকারীদের মধ্যে ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তির পুরনো অবস্থা, কাঁচামালের সংকট ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে উৎপাদন কমে যায়। এখন পুরোনো যন্ত্রপাতি মেরামত ও সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন আবার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।