Dhaka ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার শীতে সবজির জোগান থাকলেও কমছে না দাম রংপুরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্যস্ফীতির প্রভাব রংপুরে এলপিজি সংকট, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার খরচের চাপে ভাঙছে ক্ষুদ্র ব্যবসা ডলার সংকটে স্থবির আমদানি-রপ্তানি, বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও মুল্যস্ফীতির চাপ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জীবন, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ‘দেরি হওয়ার আগেই চুক্তি করো’, কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা: নিহত ১০৯ নিরাপত্তা সদস্য নির্বাচন অবাধ ও উৎসবমুখর হবে: ইইউ প্রতিনিধিদলকে প্রধান উপদেষ্টা
বিজ্ঞাপন:
আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থার সাথে এগিয়ে চলছে দৈনিক বঙ্গচিত্র। দেশের প্রতিটি প্রান্তের খবর, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের ভল্ট ভাঙার ২০ দিন পর মিলল হারানো অস্ত্র

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ট্রং ভল্ট থেকে অস্ত্র চুরির ২০ দিন পর সেই একই ভাঙা ভল্টেই পাওয়া গেছে কয়েকটি পিস্তল ও বিভিন্ন অস্ত্রের অংশ। বিষয়টি নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি—অস্ত্রগুলো হারানোর পর কোথায় ছিল, আর কীভাবে আবার ভল্টেই ফিরে এলো তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।

১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের আমদানি কুরিয়ার এলাকায় কয়েকটি সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বস্তাভর্তি মালামালের নতুন করে তালিকা তৈরি হতে দেখা যায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর জানা যায়, সেই বস্তায় ব্যারেট্টা মডেলের পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্রের ভাঙা অংশ ছিল—যেগুলো ঘটনার সময় নিখোঁজ হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, এসব অস্ত্র কি পুরো সময় ভল্টেই ছিল, নাকি বাইরে নেওয়ার পর আবার ভল্টে রেখে দেওয়া হয়েছে?

ঘটনায় ফিরে দেখা যায়, ২৯ অক্টোবর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে জানায় যে ভল্টের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এরপর ১০ নভেম্বর সময় সংবাদের প্রতিবেদনেও জানানো হয়, ভল্টে গানম্যাক্স কোম্পানির আমদানি করা একাধিক অস্ত্র ছিল। তবে তখন কোনো সংস্থা বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার তথ্য দেয়নি।

অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. ফসাল কবির জানিয়েছেন—এখন পাওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে তার আমদানিকৃত অস্ত্রও রয়েছে। তার দাবি, তাকে বলা হয়েছিল ১৬টি পিস্তল পাওয়া গেছে, কিন্তু এখনো ২০ হাজার বুলেট ফেরত মেলেনি।

এদিকে, ১৮ অক্টোবর বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা দেখা যায়। দিনের বেলায় নিরাপত্তা টহল থাকলেও রাত হলে কুরিয়ার এলাকাজুড়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ দেখা যায়—সন্দেহজনক লোকজনের চলাফেরা, অর্থ লেনদেনসহ নানা ঘটনা প্রশ্ন তৈরি করছে। যেখানটিতে স্ট্রং ভল্ট ছিল, তার কাছাকাছি দেয়ালের বড় অংশ ভাঙা এবং অনেক জায়গায় নেই সুরক্ষার জন্য থাকা কাটাতারের বেড়া।

Popular Post

রেট গ্যাপ ও ব্যাংকিং ঝামেলায় মিরসরাইয়ে হুন্ডিমুখী প্রবাসী পরিবার

শাহজালাল বিমানবন্দরের ভল্ট ভাঙার ২০ দিন পর মিলল হারানো অস্ত্র

Update Time : ০১:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ট্রং ভল্ট থেকে অস্ত্র চুরির ২০ দিন পর সেই একই ভাঙা ভল্টেই পাওয়া গেছে কয়েকটি পিস্তল ও বিভিন্ন অস্ত্রের অংশ। বিষয়টি নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি—অস্ত্রগুলো হারানোর পর কোথায় ছিল, আর কীভাবে আবার ভল্টেই ফিরে এলো তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।

১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের আমদানি কুরিয়ার এলাকায় কয়েকটি সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বস্তাভর্তি মালামালের নতুন করে তালিকা তৈরি হতে দেখা যায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর জানা যায়, সেই বস্তায় ব্যারেট্টা মডেলের পিস্তলসহ বিভিন্ন অস্ত্রের ভাঙা অংশ ছিল—যেগুলো ঘটনার সময় নিখোঁজ হয়েছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, এসব অস্ত্র কি পুরো সময় ভল্টেই ছিল, নাকি বাইরে নেওয়ার পর আবার ভল্টে রেখে দেওয়া হয়েছে?

ঘটনায় ফিরে দেখা যায়, ২৯ অক্টোবর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে জানায় যে ভল্টের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এরপর ১০ নভেম্বর সময় সংবাদের প্রতিবেদনেও জানানো হয়, ভল্টে গানম্যাক্স কোম্পানির আমদানি করা একাধিক অস্ত্র ছিল। তবে তখন কোনো সংস্থা বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার তথ্য দেয়নি।

অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. ফসাল কবির জানিয়েছেন—এখন পাওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে তার আমদানিকৃত অস্ত্রও রয়েছে। তার দাবি, তাকে বলা হয়েছিল ১৬টি পিস্তল পাওয়া গেছে, কিন্তু এখনো ২০ হাজার বুলেট ফেরত মেলেনি।

এদিকে, ১৮ অক্টোবর বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা দেখা যায়। দিনের বেলায় নিরাপত্তা টহল থাকলেও রাত হলে কুরিয়ার এলাকাজুড়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ দেখা যায়—সন্দেহজনক লোকজনের চলাফেরা, অর্থ লেনদেনসহ নানা ঘটনা প্রশ্ন তৈরি করছে। যেখানটিতে স্ট্রং ভল্ট ছিল, তার কাছাকাছি দেয়ালের বড় অংশ ভাঙা এবং অনেক জায়গায় নেই সুরক্ষার জন্য থাকা কাটাতারের বেড়া।